সরলরৈখিক সংগঠন এবং সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য

আজকের আলোচনার বিযয় সরলরৈখিক সংগঠন এবং সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য  – যা সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন এর অর্ন্তভুক্ত, সাধারণ অর্থে, শুধুমাত্র সরলরৈখিক কর্মকর্তা বা কর্তৃত্ব সহযোগে যে সংগঠন কাঠামো গঠিত হয় বা যে সংগঠন কাঠামোতে সরলরৈখিক নির্বাহীর সাথে কোন সহযোগী বা উপদেষ্টা কর্মী থাকে না তাকে সরলরৈখিক সংগঠন বলে । এটি সবচেয়ে সহজ ও পুরান সংগঠন পদ্ধতি ।

সরলরৈখিক সংগঠন এবং সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য

প্রকৃত অর্থে, যে সংগঠন পদ্ধতিতে ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব রেখা ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ স্তর হতে বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে সরল রেখার আকারে নেমে আসে তাকে সরলরৈখিক সংগঠন নামে অভিহিত করা হয় । সামরিক সংগঠনে আদেশ দানের সরলরৈখিক গতিরেখার প্রতি যে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় এবং ঊর্ধ্বতনের আদেশ অধস্তনরা বিনা দ্বিধায় মানতে যেভাবে বাধ্য থাকে, সরলরৈখিক সংগঠনে আদেশ দান ও তা পালনে অনুরূপ নীতিমালা অনুসরণ করা হয় বলে একে সামরিক সংগঠনও বলা হয়ে থাকে ।

 

বৃহদায়তন ও জটিল ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য সরলরৈখিক সংগঠন খুব উপযুক্ত নয় । তথাপি প্রাচীনতম সংগঠন পদ্ধতি হিসেবে এরূপ সংগঠন কাঠামো এমন কিছু বৈশিষ্ট্যের অধিকারী যার ফলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত এটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠন কাঠামো হিসেবেই বিবেচিত ।

লক্ষ্যার্জনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের কার্যাদি শনাক্তকরণ, কার্যসমূহ বিভাগীয়করণ, প্রত্যেক বিভাগের দায়- দায়িত্ব নিরূপণ, কর্তৃত্ব বণ্টন এবং বিভিন্ন বিভাগ ও কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয়ের প্রক্রিয়াকে সংগঠন বলে। সরলরৈখিক এবং সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠন এর দু’টি প্রধান রূপ । নিম্নে এদের মধ্যকার পার্থক্যসমূহ তুল ধরা হলো :

 

 

 

সরলরৈখিক সংগঠন এবং সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য | সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন

 

সরলরৈখিক সংগঠন এবং সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য | সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন

Leave a Comment