কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা

আজকের আলোচনার বিযয় কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা – যা সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন এর অর্ন্তভুক্ত, কমিটির কতিপয় সুবিধা থাকলেও এর অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতাও কম নয় । ঊর্ধ্বতন যদি কৌশলে কোনো বিষয় এড়িয়ে যেতে চান সেক্ষেত্রে নিজের দোষ এড়িয়ে তা করার সুযোগ সৃষ্টিতে কমিটি মোক্ষম অস্ত্র । অযোগ্য সদস্য বাছাই, অপ্রয়োজনীয় সদস্য নিয়োগ, দায়-দায়িত্বের অস্পষ্ট বর্ণনা, অনুসরণের অভাব ইত্যাদির মধ্য দিয়ে নির্বাহী কোনো কমিটিকে সহজেই নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারেন ।

 

কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা | সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন
কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা | সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন

 

কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা

আবার নিজের মনমতো সদস্য বাছাই করে নিজের মনমতো সিদ্ধান্ত পাস করিয়ে নিতে বা নিজ স্বার্থ হাসিল করতে পারেন। এ ছাড়া কমিটির এমন কিছু প্রকৃতিগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে যে কারণে একে সমালোচনা করা হয়েছে নানানভাবেই । অইরিক ও কুঞ্জ নিন্দুকদের সমালোচনাকে তাঁর লেখনীর মধ্য দিয়ে নিম্নোক্তভাবে উপস্থাপন করেছেন :

“A camel is a horse invented by a committee, ”- অর্থাৎ কমিটি হলো এমন – যা কোনো উটকে ঘোড়া হিসেবে আবিষ্কার করে । 

“A committee is made-up of the unfit selected by the unwilling to do the unnecessary.”- অর্থাৎ কমিটি অপ্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনের জন্য অনভিপ্রেত ব্যক্তিদের দ্বারা মনোনীত কতিপয় অযোগ্য ব্যক্তির সংগঠন । 

“A committee is a place where the loneliness of thought is replaced by the togetherness of nothingness. ” অর্থাৎ কমিটি হলো এমন এক জায়গা যেখানে কতিপয় চিন্তাহীন ভাবনা একাকীত্বের স্থান দখল করে। কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতাসমূহ নিম্নে তুলে ধরা হলো :

১. বিভক্ত দায়িত্ব (Divided responsibility) :

“যেখানে দায়িত্ব সকলের সেখানে বস্তুত কারও ওপরই দায়িত্ব থাকে না” (Everybody’s responsibility is nobody’s responsibility)। -এ প্রবাদটি কমিটির ক্ষেত্রে প্রায়ই সত্যে পরিণত হয়। কোনো ব্যক্তির একক দায়িত্বের বেলায় যেভাবে জবাবদিহিতার প্রশ্ন থাকে ও ব্যক্তি দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হয়; সামষ্টিক দায়িত্বের বেলায় জবাবদিহিতার প্রশ্ন সেভাবে আসে না ।

প্রত্যেকেই দায়িত্বকে হালকাভাবে গ্রহণ করে, আন্তরিকতা ও একাগ্রতা হ্রাস পায় এবং অন্যের ওপর দোষ চাপানোর প্রবণতা সৃষ্টি হয় । এ প্রসঙ্গেই অইরিক ও কুঞ্জ বলেছেন, “Since no one feels personally accountable for the actions of the group, no individual feels personally responsible for any action taken by it. ” যদিও কমিটির একজন আহ্বায়ক বা চেয়ারম্যান থাকেন তবে তাঁর কাজ হয় কমিটির কাজে সমন্বয় সাধন করে একে এগিয়ে নেওয়া । বিভক্ত দায়িত্বের কারণে তাঁর পক্ষে কর্তব্য পালন কষ্টসাধ্য হয়ে থাকে ।

২. অধিক সময় ও অর্থ ব্যয় (High cost of time and money) :

কমিটির কার্যকারিতা নির্ভর করে কমিটির সদস্যদের কমিটির বাইরে কাজের চাপ থাকে । কমিটির মিটিং-এ বসাকে অনেক সময়ই সদস্যরা বাড়তি যথাসময়ে সভা অনুষ্ঠান এবং সভাকে সফল করে তুলতে পারার ওপর। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কাজ মনে করে । মিটিং দেরিতে শুরু হয় । অনেকে স্বাক্ষর করে যাওয়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে ।

অপ্রয়োজনীয় বাক্যালাপ, বিতণ্ডা, সভা মুলতবি ইত্যাদির কারণে কমিটির কাজে অধিক সময় ব্যয় হয়। এরূপ সময় ব্যয় পরোক্ষভাবে আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া সভার সদস্যদের আপ্যায়ন ও যাতায়াত ভাতা, সম্মানী প্রদান ইত্যাদির কারণেও ব্যয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। যা ফলাফলের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রেই বেশি হয়ে থাকে। C. N. Parkinson এ সম্পর্কে সংক্ষেপে বলেছেন, “The time spent on any item of the agenda will be in inverse proportion to the sum involved. “45 অর্থাৎ কোন আলোচ্যসূচিতে সময় ব্যয় উল্টাভাবে একই অনুপাতে আর্থিক ব্যয়ও বটে।

৩. আপসমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আশঙ্কা (Danger of compromising decision) :

কমিটির আরেকটি বড় অসুবিধা হলো আপসমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আশঙ্কা । অনেক সময় কমিটির সভায় ব্যাপক আলাপ-আলোচনা ও তর্ক-বিতর্কের পর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মতামতের ভিন্নতা ঘটে। সে অবস্থায়ও ভোট পদ্ধতি এড়িয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ফলে এক পর্যায়ে আপসমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া গত্যন্তর থাকে না ।

আর এরূপ সিদ্ধান্ত প্রায়শই দুর্বল ও অকার্যকর হয়ে থাকে । কমিটির সদস্যরা সাধারণত সবাই প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের বা কাছাকাছি পদমর্যাদায় চাকরি করে। ফলে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ভয়েও অনেক সময় কমিটির সভায় ভিন্ন মতামত দিতে অনেকে কুণ্ঠাবোধ করে । এতেও সিদ্ধান্ত দুর্বল হয়।

৪. সিদ্ধান্তহীনতার প্রতি ঝোঁক (Tendeney towards indecision) :

কমিটির আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো সিদ্ধান্তহীনতার প্রতি ঝোঁক । বিভক্ত দায়িত্বের কারণে কেউই এখানে দায়িত্ব নিতে চায় না । ফলে কমিটির মিটিং অনুষ্ঠানেই সমস্যা লক্ষ করা যায়। মিটিং-এর পূর্বে সদস্যদের কেউ কেউ সমস্যা দেখিয়ে অনুপস্থিত থাকতে চায়, কেউ আসতে দেরি করে, কেউবা আগে এসে বলে যায়, ‘আপনারা যা করবেন তার মধ্যেই আছি’।

এভাবে অনেক সময়ই সভা বাতিল বা মুলতবি হয়। অধ্যাপক নিউম্যান-এর প্রতি আলোকপাত করেই বলেন, “If a meeting is called with one or two members absent, action on certain matters may have to be deferred until the absent members can be consulted. “46 মিটিং-এ বসেও নানান কথাও বাক-বিতণ্ডার কারণে সভা মুলতবি হয় । ‘নানা মুনির নানা মত’-এর কারণেও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না । এভাবে এক সময় কমিটি অকার্যকর হয়ে পড়ে ।

 

৫. ‘জ্বী হুজুর’-দের আসর (Yesmen or warring camp) :

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কমিটির সদস্য উর্ধ্বতন কর্তৃক নিয়োগ করা হয় । এরূপ কমিটিতে সদস্য বাছাইয়ে ঊর্ধ্বতন অনেক সময়ই যোগ্যতার চেয়ে নিজ পছন্দের লোকদের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেয়। সেক্ষেত্রে এরূপ নিয়োগকৃত সদস্যদের কাজ হয় ঊর্ধ্বতন বা নিয়োগকর্তার মনোরঞ্জন করা। সেক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ ও প্রয়োজনীয় আলোচনার চেয়ে ঊর্ধ্বতনের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে কীভাবে যুক্তি-তর্ক দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় সেটাই তাদের কাজ হয়ে দাঁড়ায়।

এক্ষেত্রে কমিটি গণতন্ত্রের মোড়কে স্বৈরাচার ও গোষ্ঠীস্বার্থকে পাকাপোক্ত করে । ফলে কমিটির মিটিং ‘জ্বী হুজুর’-দের আসরে পরিণত হয় । আর এরূপ কমিটি হতে কখনই ভালো কিছু প্রত্যাশা করা যায় না । আমাদের দেশে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনেক সময়ই গঠিত কমিটি এ ধরনের ভূমিকা পালন করে ।

৬. সংখ্যালঘু সদস্যদের স্বেচ্ছাচারিতা (Minority tyranny) :

অনেক সময়ই কমিটিতে এমন কিছু সদস্য থাকে যাদের যুক্তির পারঙ্গমতা প্রকাশের চেষ্টা ও অহেতুক বিতর্ক সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের জন্য উৎপীড়নের কারণ হয়। কমিটিতে সর্বসম্মত বা মোটামুটি সকলের ইচ্ছানুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে চাওয়ার প্রবণতা থাকলে এরূপ ব্যক্তিদেরকে বাগে এনে সিদ্ধান্ত নেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

এতে অহেতুক কালক্ষেপণ অন্যান্য সদস্যদের মাঝে যেমনি বিরক্তির উদ্রেক করে তেমনি সংখ্যাগরিষ্ঠের মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। আমেরিকান আইন ব্যবস্থায় জুরিদের যে মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত তাতে অনেক সময়ই এ ধরনের সমস্যা লক্ষ্য করা যায় । কোনো একজন জুরি যদি সিদ্ধান্তের পক্ষে মত না দেয় বা ভোটদানে বিরত থাকে তবে সেক্ষেত্রে অন্যদের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে ।

৭. উপদল সৃষ্টির প্রবণতা (Tendency towards subgrouping) :

কমিটি গঠন ও এর আলোচনাকে কেন্দ্র করে অনেক সময় সদস্যদের মধ্যে দলীয় কোন্দল সৃষ্টির প্রবণতা লক্ষ করা যায়। কমিটিতে নিজ ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর জন্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিগণ অনেক সময় কমিটিতে নিজ ইচ্ছামতো সদস্য অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা করে। কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য অনেকে গ্রুপিং-লবিং করে। এতে উপদলীয় কোন্দল সৃষ্টি হয়।

কমিটির সভায় নিজের বা নিজস্ব গ্রুপের মতামত প্রতিষ্ঠার জন্য সদস্যরা অনেক সময় দলবাজির আশ্রয় গ্রহণ করে । সেক্ষেত্রে কমিটি আর প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে কোনোই ভূমিকা রাখতে পারে না । অনেক সময় নিজ মতানুযায়ী সিদ্ধান্ত না হলে এ নিয়েও গ্রুপিং সৃষ্টির চেষ্টা চলে; যা প্রতিষ্ঠানের জন্য খুবই ক্ষতির কারণ হয় ।

৮. ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের অসুবিধা (Danger of decentralization) :

কমিটি ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণে সহায়তা করে বলা হলেও অনেক সময় তা সমস্যারও সৃষ্টি করে । ঊর্ধ্বতন কোনো বিষয়ে একবার সিদ্ধান্ত গ্রহণের কর্তৃত্ব কোনো কমিটি বা দলের ওপর অর্পণ করলে পরবর্তীকালে অনুরূপ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার একক কর্তৃত্ব খর্ব হয় ।

কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটি নৈতিক দায় বা প্রবণতা যেমনি ঊর্ধ্বতনের মধ্যে দেখা যায় তেমনি অধঃস্তনরাও কমিটি করে অনুরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে মত দেয় । অন্যথায় ঊর্ধ্বতনকে সহায়তা করতে চায় না । ফলে সমস্যা দেখা দেয় । তাই বুচার্ড ও হেয়ার বলেছেন, “If a problem can be solved by a single executive or a few staff members, the committees should not be appointed. “47 অর্থাৎ যদি কোনো সমস্যা একক নির্বাহী বা কয়েকজন পদস্থ কর্মী দিয়ে সমাধা করা যায় তবে কমিটি নিয়োগ করা উচিত নয় ।

৯. নিজস্ব মতামত প্রতিষ্ঠার প্রবণতা (Tendency to establish own opinion) :

কমিটির সভায় সকল সদস্যের সমান অধিকার থাকায় অনেকের নিজস্ব মতামত প্রতিষ্ঠার প্রবণতা বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়। যে বিষয়ে কোনো সদস্য কম বোঝে সেখানে নিজ দুর্বলতা ঢেকে রাখার জন্য আলোচনায় তেমন অংশ না নিলেও যেখানে সে মোটামুটি ধারণা রাখে সেখানে বিশেষজ্ঞের মতামত দেওয়ার চেষ্টা করে । ফলে আসল লক্ষ্য থেকে কমিটি সরে গিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও বাক-বিতণ্ডার কেন্দ্রে পরিণত হয়।

কমিটির সভাপতি (সাধারণত কোনো ঊর্ধ্বতন নির্বাহী হয়ে থাকে)-এর মধ্যে এরূপ প্রবণতা ব্যাপক হলে সেখানে অন্য সদস্যদের তেমন করার কিছুই থাকে না । প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদা ও কর্তত্বের কারণেই কমিটির অন্য সদস্যরা তাকে উত্যক্ত করা হতে বিরত থাকে । ফলে তার মত মেনে নিতে বাধ্য হয় । সেক্ষেত্রে কমিটি হতে কোনো কার্যকর ফলাফল প্রত্যাশা করা যায় না ।

 

কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা | সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন
কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা | সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন

 

১০. গোপনীয়তা প্রকাশ (Expression of secrecy) :

একক ব্যক্তি যখন কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় তখন তা নেওয়ার বা প্রকাশ করার পূর্ব পর্যন্ত কার্যত আর কারও তা জানার সুযোগ থাকে না। ফলে ঐ সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে পূর্ব হতে কোনো মতামত সৃষ্টির সুযোগ কম থাকে । কিন্তু কমিটির মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গেলে আলোচনা-পর্যালোচনার পর্যায়ে তা বাইরে চলে যেতে পারে । এতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের মধ্যে ঔৎসুক্য এবং ক্ষেত্রবিশেষে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়া অসম্ভব নয় ।

অনেক সময় আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানানোর পূর্বে জনশক্তির কাছে তা পৌঁছে যায় । কমিটির কোনো সদস্যের মতামত গৃহীত না হলে সে স্বপক্ষের লোকদের কাছে সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে বিরূপ প্রচারণা চালিয়েও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমস্যার সৃষ্টি করে ।

উপসংহারে বলা যায়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে কমিটি যথেষ্ট ভালো ফল দিলেও উপরোক্ত সীমাবদ্ধতার কারণে সকল ক্ষেত্রে কমিটি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না । উপযুক্ত ক্ষেত্রে উপযুক্ত সদস্য সমন্বয়ে কমিটি গঠন করলেই এ থেকে ভালো ফল পাওয়া যাবে এমন নয় বরং এর যে সকল সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান তার প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রেখেই কমিটিকে কাজে লাগানোর জন্য নজর দেওয়া উচিত ।

G. R. Terry তাই বলেছেন, “A committee serves neither as a substitute for a good manager nor as a device that corrects poor organization. Committees have legitimate functions in organization; the challenge is to use them properly, “48 অর্থাৎ একটি কমিটি কোনো ভালো ব্যবস্থাপনার বিকল্প হতে পারে না, না তা কোনো দুর্বল সংগঠনকে শক্তিশালী করার উপায় । তবে কোনো প্রতিষ্ঠানে কমিটির কাজ করার কিছু বিধিবদ্ধ ক্ষেত্র থাকে। তবে সেক্ষেত্রেও বড় সমস্যা হলো এর সঠিক ব্যবহার ।

Leave a Comment