আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় নেতৃত্ব দানের প্রয়াসে নেতার কার্যাবলি।
Table of Contents
নেতৃত্ব দানের প্রয়াসে নেতার কার্যাবলি

একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের নিমিত্তে কর্মী পরিচালনা সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ নির্ভর করে নেতার উপর। নিম্নে নেতৃত্বদানের প্রয়াসে নেতার কার্যাবলিগুলো সংক্ষেপে স্বচিত্র আলোচনা করা হলো-
১। নিষ্পত্তিকরণ ঃ
প্রায়ই দেখা যায় যে, সাংগঠনিক বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা যায়। এক্ষেত্রে উত্তম নেতা শান্তিপূর্ণ সমাধান দেয় ।
২। ইঙ্গিত বা আঁচ প্রদান ঃ
একজন নেতা তার অনুসারীদিগকে কীভাবে একটি কার্য সম্পাদিত হবে বা সম্পাদন করা যাবে তার ইঙ্গিত প্রদান করেন।
৩। উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও অবহিতকরণ ঃ
একজন উত্তম নেতা ব্যক্তিগতভাবে তার অধঃস্তনদিগকে উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি এ সকল উদ্দেশ্যকে সহজভাবে সংজ্ঞায়িত করেন, যাতে অধঃস্তনদের পক্ষে তা অনুধাবনে অসুবিধা না হয়।
৪। গতি সঞ্চালন ঃ
এমন একটি চালিকাশক্তির প্রয়োজন, যা এর অভ্যন্তরে গতি সঞ্চালনের সূচনা করে। কেবল একজন সত্যিকারের নেতার পক্ষেই এরূপ চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করা সম্ভব ।
৫। নিরাপত্তা প্রদান ঃ
সংগঠনে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। একজন সত্যিকারের নেতা প্রতিষ্ঠানে অনুকূল ও আদর্শ পরিবেশ বজায় রেখে অধঃস্তনদের জন্য সংকটময় সময়েও এ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারেন ।
৬। প্রতিনিধিত্বকরণ ঃ
নেতা তার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বা মুখ্য ব্যক্তি। তিনি তার সংগঠনের সাথে সম্পর্কিত সকল ব্যাপারে প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন।
৭। উৎসাহ প্রদান ঃ
নেতা যখন তার অধঃস্তনদিগকে বলেন যে, তারা প্রতিষ্ঠানের জন্য যা করেছেন তা মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ তখন স্বভাবতই তারা অধিক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে কাজ করবে।
৮। প্রশংসা করা ঃ
প্রত্যেকেই নিজ নিজ কৃত কাজের প্রশংসায় আনন্দিত হয়। শূন্য তোষামোদ ভাল না হলেও পাদিত উত্তম কার্যের জন্য যথোপযুক্ত প্রশংসা অবশ্যই কর্মীকে অধিকতর কার্য সম্পাদনে উৎসাহিত করে। উপরোক্ত কার্যাবলিগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের মাধ্যমে একজন নেতা তার অধঃস্তনদের নিকট হতে কাজ আদায় করে নিতে পারে ।

