প্রেষণার গুরুত্ব 

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় প্রেষণার গুরুত্ব ।

প্রেষণার গুরুত্ব

 

প্রেষণার গুরুত্ব 

 

ব্যবস্থাপনার কাজ হলো অন্যের দ্বারা কাজ সম্পাদন করিয়ে নেয়া। তাই আধুনিক ব্যবস্থাপনা কর্মীদের সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে। ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রেষণার গুরুত্ব আলোচনা করা হলো-

১। কার্য সম্পাদন ও লক্ষ্য অর্জন ঃ

প্রেষণার দ্বারা কর্মীদের দক্ষতা, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ইত্যাদির সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে সুচারুরূপে কার্য সম্পাদন করা যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়।

২। তত্ত্বাবধানের ব্যয় হ্রাস :

কর্মীদেরকে সঠিকভাবে কাজে প্রেষণা দেয়া হলে তাদের কাজের প্রতি একাগ্রতা আসবে।

৩। সম্পর্কোন্নয়ন ঃ

পেষণা দ্বারা কর্মীদের চাহিদা ও প্রয়োজন মেটানো হয় বলে কর্মীগণের মধ্যে সৌহার্দার সম্পর্কের সৃষ্টি হয় এবং প্রতিষ্ঠানে সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ বিরাজ করে।

৪। আমার সৃষ্টি ও আর্থিক ও অনার্থিকঃ

বিভিন্ন উপায়ে কর্মীদের প্রয়োজন মেটানোর ফলে, তাদের মধ্যে কাজের আগ্রহ সৃষ্টি এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি মমত্ব বৃদ্ধি পায়।

 

৫। প্রয়োজনের পরিতৃপ্তি ঃ

শ্লেষণার মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের আর্থিক, মানসিক ইত্যাদি চাহিদ ৬। কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি : প্রেষণার দ্বারা কর্মীদের বিভিন্ন প্রয়োজন মেটানো হয় বলে কর্মীগণের কাজে সঙ্গী। আগ্রাহ বাড়ে, যা কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়ক হয়।

৭। জপার ও অপব্যয় হ্রাস ঃ

প্রেষণায় উদ্বুদ্ধ হতে কর্মীগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে। ফলে শ্রম, সময় ও সম্পনে অনাহুত অপচয় অপব্যয় হ্রাস পায়।

৮। দক্ষতা বৃদ্ধিঃ

কাজের প্রতি আন্তরিকতা থাকলে স্বাভাবিকভাবেই কর্মীরা সেই কাজে আনন্দ পায় এবং অনেক সহযোগে যে কোন কর্ম-প্রচেষ্টা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

৯। নমনীয়তাঃ

বৃদ্ধি ও প্রেষণা কর্মক্ষেত্রে নমনীয়তা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রেষণা দানের মাধ্যমে কর্মীদে মনোবল উন্নয়ন করা সম্ভব হলে যে কোন পরিবর্তনের প্রতি তারা অনুকূল সাড়া দেয়।

১০। উদ্যোগ ও উন্নয়ন :

প্রেষণা শুধু মানসিক সন্তুষ্টিই সৃষ্টি করে না, তা কর্মীদের নব নব পন্থা উদ্ভাবনের মাধ্যম  উত্তম উপায়ে কাজ সম্পাদনে উদ্যোগী করে তোলে।

 

প্রেষণার গুরুত্ব 

Leave a Comment