আর্থিক উপাদান

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় আর্থিক উপাদান।

আর্থিক উপাদান

 

আর্থিক উপাদান

 

 

১। ন্যায্য বেতনঃ

ওবেতন বলতে সাধারণত মূল বেতনকেই (Basic salary) বুঝায়। এটি যে কোন কর্মীর জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কর্মী যদি তাকে প্রদত্ত বেতন অন্যায্য মনে করে তবে কার্যক্ষেত্রে নিরুৎসাহ বোধ করা খুবই স্বাভাবিক, যার ফলে তার কর্মদক্ষতা হ্রাস পায়।

২। মুনাফার অংশ :

সাধারণভাবে মুনাফা মালিকের প্রাপ্য। কর্মীদের যদি মুনাফার একটি অংশ দেয়া হয় তাহলে প্রতিষ্ঠানকে নিজের ভাবতে যেমনি তারা উৎসাহিত হয় তেমনিভাবে মুনাফা বৃদ্ধির জন্যও তারা সচেষ্ট থাকে। ৩। বোনাস ঃ বর্তমানকালে কর্মীদের উদ্দীপনা সৃষ্টির জন্য বোনাস একটি ফলপ্রদ পদ্ধতি। একে কর্মীরা বাড়তি পাওনা
মনে করে, ফলে কাজে উৎসাহিত হয়।

৪। আর্থিক নিরাপত্তা :

ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা প্রত্যেক কর্মীরই একটি আকাঙ্ক্ষিত বিষয়। এ লক্ষ্যে প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি, পেনশন, গ্রুপ বীমা ইত্যাদির সুযোগ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দেয়া হবে। ৫। অগ্রিম ঃ বর্তমানকালে আমাদের মতো দেশে কর্মীদের বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে বেতনের বিপক্ষে বা পরবর্তী সময়ে মাসে মাসে কর্তন করা হবে- এ শর্তে প্রদান করা হয়। এটাও কর্মীদেরকে কাজে উদ্দীপ্ত করে।

 

৬। বাসস্থানের সুযোগ ঃ

দেশের সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়, ব্যাংকিং ও বীমা সংস্থায় কর্মরত সকলকে নির্দিষ্ট হারে মাসিক বাড়িভাড়া দেয়া হয়। আবার সীমিত আকারে আবাসনের সুযোগ রয়েছে।

৭। চিকিৎসা সুবিধা ঃ

শ্রমিক-কর্মীদের সুস্বাস্থ্য ও উন্নত মনোবলের প্রয়োজনে তাদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা প্রদান আবশ্যক। আমাদের দেশে কোন কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মীদেরকে কিছু কিছু “চিকিৎসা সুবিধা” প্রদান করা হয়।

৮। পদোন্নতি ঃ

দেশের প্রায়ই প্রতিষ্ঠানে কর্মীদেরকে কমবেশি যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেয়া হয়।

৯। পুরস্কার ঃ

উত্তম কাজের জন্য কর্মীদিগকে পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হলে তারা নিজেদেরকে ধন্য মনে করবে এবং অধিক উৎসাহে আরও ভাল কাজ করবে।

১০। রেশন সুবিধা ঃ

নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে কর্মীদের যে অসুবিধা হয় তা দূর করার উদ্দেশ্যেই শ্রমিক-কর্মীদের রেশনের সুযোগ দেয়া উচিত ।

 

আর্থিক উপাদান

Leave a Comment