চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সংগঠন। এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য ব্যবসার সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা। নতুন উদ্যোক্তাদের সাহায্য করা ও অন্যান্য বড় বড় শিল্পপতি, ব্যবসায়ীদের নিয়ে দেশের শিল্প নীতি মালা সম্পর্কে সরকারের সাথে আলোচনা করা ইত্যাদি কাজ করে। ক্লাসটি পলিটেকনিকের ইনোভেশন এন্ড এন্টারপ্রিনিউরশিপ (৬৫৮৫৩) / উদ্ভাবন ও শিল্পোদ্যোগ (৬৫৮৫৩) (Innovation & Entrepreneurship, 65853) বিষয়ের, পঞ্চম (৫) অধ্যায়ের তথা “শিল্প ধারণার উৎসসমূহ ও মূল্যায়ন” অধ্যায়ের পাঠ।
চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ঢাকার ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে পুরোনো ও বড় সংগঠন। এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য ব্যবসার সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা। বর্তমানে এ সংগঠনের সদস্য প্রায় ৪ হাজার। ১৯৫৮ সালে কোম্পানি আইন-১৯১৩ অনুসারে ঢাকা মুসলিম চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (১৯৩৬) এবং ইউনাইটেড চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (১৯৪৭) একীভূত হয়ে ঢাকা চেম্বার- অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) গঠন করা হয়।

ঢাকা চেম্বার -অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বাংলাদেশের শিল্প ও বণিক সম্প্রদায়ের পেশাগত ও সবচেয়ে বড় সংগঠন। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজনে বাংলাদেশে যোগাযোগ করার প্রথম স্থান হচ্ছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের প্রসার এবং উন্নয়ন করা এই সংগঠনটির প্রধান কাজ। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সংক্ষেপে ডিসিসিআই স্থানীয় এবং বিদেশি শিল্পোদ্যোক্তাদের ব্যবসায় ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত বিষয়ক সহযোগীতাসহ তাদের চাহিদা পূরণেও সহায়তা প্রদান করে থাকে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সাধারণ, সহযোগী, বণিক গ্রুপ এবং সহ-সমিতিসহ সকল শ্রেণির সদস্যদের প্রতিনিধিত্বমূলক ১৮ পরিচালক সমন্বয়ে গঠিত একটি বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত হয়। সংগঠনটির এক তৃতীয়াংশ পরিচালকগন প্রতি বছর অবসরে যান। পরবর্তীতে এক বছর মেয়াদের জন্য বোর্ড আবারও একজন করে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচন করেন। সভাপতিই হলেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রধান। এছাড়াও একটি স্ট্যান্ডিং কমিটি ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদকে সহযোগিতা করে থাকে।
