কাম্য তত্ত্বাবধানের সুবিধাসমূহ

আমাদে র আজকের আলোচনার বিষয় কাম্য তত্ত্বাবধানের সুবিধাসমূহ।

 

কাম্য তত্ত্বাবধানের সুবিধাসমূহ

 

কাম্য তত্ত্বাবধানের সুবিধাসমূহ

 

কাম্য তত্ত্বাবধানের সুবিধাসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হল-

১। নির্বাহীর শক্তি ও সামর্থ্যের কার্যকর ব্যবহার ঃ

নির্বাহীর শক্তি ও সামর্থ্যের কার্যকর ব্যবহারের উপর প্রাতিষ্ঠানিক ফলপ্রদতা বিশেষভাবে নির্ভর করে। তাই তত্ত্বাবধান পরিসর অবশ্যই কাম্য হওয়া উচিত।

২। কার্যকর তত্ত্বাবধান :

সুষ্ঠু তত্ত্বাবধান অধঃস্তনদের যোগ্যতার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।

 

৩। সুষ্ঠু যোগাযোগ ঃ

কাম্য তত্ত্বাবধান পরিসর কার্যকর যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তত্ত্বাবধান পরিসর ছোট হলে প্রতিষ্ঠানে স্তরের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ফলে উপর হতে নিচের দিকে বা নিচ হতে উপর দিকে যোগাযোগ বিলম্ব হয় ।

৪। সহজ সমন্বয় :

কার্য সমন্বয়ের উপরও কাম্য তত্ত্বাবধান পরিসরের প্রভাব লক্ষ্যণীয়। তত্ত্বাবধান পরিসর ছোট হলে প্রতিষ্ঠানে স্তরের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। কাম্য পরিসর নির্ণয়ের মাধ্যমে সমস্যা দূর করে প্রতিষ্ঠানের সকল পর্যায়ে কার্যকর সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় ।

 

৫। নিয়ন্ত্রণে সুবিধা :

তত্ত্বাবধান পরিসর বড় হলে নির্বাহীর পক্ষে পরিকল্পনার আলোকে সুষ্ঠুভাবে প্রত্যেক কর্মীর কার্যাকার্য পরিমাপ, ভুল সংশোধন ও কাজের নেতৃত্ব দান যেমনি সম্ভব হয় না, তেমনিভাবে পরিসর ছোট হলেও স্তরজনিত বিপদের কারণে সমন্বয়ের সঙ্গে সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দেয়।

৬। উত্তম কার্য পরিবেশ সৃষ্টি ঃ

উত্তম কার্য পরিবেশ সৃষ্টিতে কাম্য তত্ত্বাবধান পরিসর ভূমিকা রাখে। তত্ত্বাবধান পরিসর বড় হলে নির্বাহীর পক্ষে সকলের কাজ সুষ্ঠু তত্ত্বাবধান সম্ভব হয় না। তত্ত্বাবধান পরিসর কাম্য হলে ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও অধঃস্তনদের মধ্যে একটি উত্তম মানবীয় সম্পর্ক গড়ে উঠে। এতে কার্য পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে ।

কাম্য তত্ত্বাবধান পরিসর নির্ণয় প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্যার্জনে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রত্যেকটি নির্বাহীর কাম্য তত্ত্বাবধান পরিসর নির্ণয় যদিও বেশ কষ্টসাধ্য, তথাপি প্রতিষ্ঠানের জনশক্তি ও সে সঙ্গে অন্যান্য উপকরণাদির কার্যকর ব্যবহারে এরূপ পরিসর নির্ণয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

 

কাম্য তত্ত্বাবধানের সুবিধাসমূহ

Leave a Comment