উদ্দেশ্যের শ্রেণীবিভাগ বা ধরন

উদ্দেশ্যের শ্রেণীবিভাগ বা ধরন নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “ব্যবস্থাপনা নীতিমালা” বিষয়ের ” উদ্দেশ্য” বিষয়ক পাঠের অংশ। কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের যৌক্তিকতা বিচারের মানদণ্ড হলো উদ্দেশ্য। মুখ্য উদ্দেশ্যের আলোকে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্দেশ্য নির্ধারণের প্রয়োজন পড়ে। যাকে কেন্দ্র করেই প্রতিষ্ঠানের সকল কাজ আবর্তিত হয় । নিম্নে বিভিন্ন ভিত্তিতে উদ্দেশ্যের শ্রেণীবিন্যাস আলোচিত হলো :

Table of Contents

উদ্দেশ্যের শ্রেণীবিভাগ বা ধরন

 

উদ্দেশ্যের শ্রেণীবিভাগ বা ধরন | উদ্দেশ্য | ব্যবস্থাপনা নীতিমালা

 

ক) গুরুত্বের ভিত্তিতে উদ্দেশ্য (Objectives on the basis of importance) :

১. প্রধান বা মুখ্য উদ্দেশ্য (Broad objectives) :

একটি প্রতিষ্ঠানের গড়ে ওঠার অন্তর্নিহিত প্রধান 

কারণই মুখ্য উদ্দেশ্য । Pearce & Robinson-এর মতে, “To guide the efforts and decisions of the enterprise at large, it is important that company excutives establish broad objectives that communicate the fundamental reasons for the companies existence.” অর্থাৎ একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মপ্রয়াস এবং সিদ্ধান্তসমূহকে ব্যাপকভাবে পথ নির্দেশ দেয়ার জন্য প্রয়োজন হলো নির্বাহীদের দ্বারা মুখ্য উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠা করা যা কোম্পানির অস্তিত্বের বা পরিচালনার মৌলিক কারণসমূহ ব্যাখ্যা করে । মুখ্য উদ্দেশ্যের মধ্যে নিম্নোক্ত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত থাকে :

i) প্রাতিষ্ঠানিক অভিপ্রায় (Organizational purpose) :

প্রতিষ্ঠানের অভিপ্রায় (Purposes) হে মৌলিক উদ্দেশ্য যা প্রতিষ্ঠান অর্জন করতে চায়। Koontz & Weihrich-এর মতে, “Purpose ” identifies the basic function or task of an enterprise or agency or any part of it.” অভিপ্রায় কোনো প্রতিষ্ঠান, প্রতিনিধি বা তার অংশবিশেষের মৌলিক কাজ নির্ধারণ করে । প্রধান প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক কাজের পরিসীমা নির্ধারিত হয় প্রাতিষ্ঠানিক অভিপ্রায়ের দ্বারা। বলা যায় যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য হলো অস্তিত্ব রক্ষা বা টিকে থাকা (Survival), মুনাফা অর্জন (Profit earning) ও প্রবৃদ্ধিসাধন (Achieving growth). 20 অর্থাৎ

ii) প্রাতিষ্ঠানিক মিশন (Organizational mission) :

Pearce ও Robinson বলেছেন, “প্রাতিষ্ঠানিক মিশন হলো ব্যাপক উদ্দেশ্য যা একটি প্রতিষ্ঠানকে তার সমজাতীয় অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে স্বাতন্ত্র্য এনে দেয় এবং পণ্য ও বাজারের সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের কাজের আওতা নির্দেশ করে।” (Organizational mission is the broad objective that sets a business a part from other firms of its type and identifies the scope of its operation in product and market terms.) 27 অবশ্য অনেকে অভিপ্রায় ও মিশনকে সমার্থক হিসেবে গণ্য করেন ।

তবে দু’য়ের মাঝে পার্থক্য হলো যে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে একটি প্রতিষ্ঠানের অভিপ্রায় নির্ধারিত হয় এবং সেসব নির্ধারিত অভিপ্রায় অর্জনের জন্য ব্যবস্থাপকগণ যে পথ নির্বাচন বা অবলম্বন করেন তাই কোম্পানির মিশন হিসেবে বিবেচিত হয় । কোম্পানি মিশনের বিবরণী (Mission statement)-তে কোন্ জাতীয় পণ্য ও সেবা উৎপাদন করা হবে, প্রধানত কোন্ বাজারে পণ্য বা সেবা দেয়া হবে এবং কোন্ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে তা অন্তর্ভুক্ত হয় ।

iii) সাংগঠনিক মূল্যবোধ (Organizational values) :

কোনো প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আরেকটি অন্তর্ভুক্ত বিষয় হলো সাংগঠনিক মূল্যবোধ । Pearce ও Robinson-এর মতে,” কোম্পানির অভিপ্রায় ও মিশন অর্জনের ক্ষেত্রে কর্মীদের যেসব দার্শনিক ও নৈতিক আদর্শের প্রতি প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্যভাবে অবিচল থাকতে হয় সেগুলোকে সাংগঠনিক মূল্যবোধ বলে ।

(Organizational values are the philosophical and ethical standards explicitly and implicitly adhered to by company personnel in pursuit of the company purpose and mission.) 22 কোম্পানির মুখ্য বা ব্যাপক উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠায় অভিপ্রায় ও মিশনের পাশাপাশি কোম্পানির মূল্যবোধের বিষয়টিকেও উদ্দেশ্য বর্ণনায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ।

২. গৌণ উদ্দেশ্য (Secondary objectives) :

প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্যসমূহ অর্জনের জন্য যে সমস্ত সহায়ক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয় সেগুলোকে গৌণ উদ্দেশ্য বলে । G. R. Terry -এর ভাষায়, assist in attaining primary objectives and identify targets for efforts designed to increase “Secondary objectives efficiency and economy in the work performance. “23 অর্থাৎ গৌণ উদ্দেশ্যসমূহ মুখ্য উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করে এবং কাজের দক্ষতা ও মিতব্যয়িতা অর্জনে কী ধরনের প্রয়াস চালানো দরকার তা চিহ্নিত করে।

ব্যবসায়ের মুখ্য উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য অসংখ্য গৌণ উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয় । যেমন-মুনাফা অর্জন একটি অন্যতম মুখ্য উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য উৎপাদন ব্যয়ে মিতব্যয়িতা অর্জন, বিক্রয় প্রসার ও বিপণন দক্ষতা অর্জনসহ অনেক গৌণ উদ্দেশ্য অর্জনের প্রয়োজন পড়ে । মুখ্য উদ্দেশ্য অর্জনে সমর্থনমূলক এসব উদ্দেশ্যই হলো গৌণ উদ্দেশ্য 

খ) সময়ের ভিত্তিতে উদ্দেশ্য (Objectives on the basis of time) :

১. দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য (Long-term objectives) :

প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্যের বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদে যেসব উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠা করা হয় সেসব উদ্দেশ্যকে দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য বলে।(সাধারণত পাঁচ কিংবা ততোধিক বছরের মেয়াদে যেসব উদ্দেশ্য নির্ধারিত হয় সেগুলো দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সাধারণত প্রতিষ্ঠানের অভিপ্রায় বা মিশনসমূহ দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত। অর্থসংস্থান, স্থায়ী সম্পত্তিতে বিনিয়োগ, মূলধন বাজেটকরণ ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য অর্জনের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।

 

২. মধ্যমেয়াদি উদ্দেশ্য (Mid-term objectives) :

(সাধারণত ১ থেকে ৫ বছর মেয়াদে জন্য কোন উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হলে তাকে মধ্যমেয়াদি উদ্দেশ্য বলে। বাংলাদেশকে ১০ বছরের মধ্যে পোলিও মুক্ত করার ঘোষণা দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য । প্রথম দু’বছরে এই প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনাকে মধ্যমেয়াদি উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য করা যায় ।

৩. স্বল্পমেয়াদি উদ্দেশ্য (Short-term objectives) :

সাধারণত ১ বছর সময়কাল বা তার চেয়ে কম সময়ে অর্জন করার জন্য প্রতিষ্ঠিত উদ্দেশ্যকে স্বল্পমেয়াদি উদ্দেশ্য বলে। ব্যবস্থাপকগণ সুনির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য স্বল্পমেয়াদি উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেন দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্যার্জনকে সুনিশ্চিত করার জন্য। প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন, মাসিক ও বার্ষিক উৎপাদন, বিক্রয়, মুনাফা, প্রবৃদ্ধি ইত্যাদির লক্ষ্যমাত্রাকে স্বল্পমেয়াদি উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য করা হয়।

গ) ব্যবস্থাপকীয় স্তরভিত্তিক উদ্দেশ্য (Objectives on the basis of management levels) : 

১. স্ট্র্যাটীজিক উদ্দেশ্য (Strategic objectives) :

প্রতিষ্ঠানের শীর্ষপর্যায়ের ব্যবস্থাপকদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত উদ্দেশ্যকে স্ট্যাটীজিক উদ্দেশ্য বলে। এ ধরনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে । স্ট্র্যাটাজিক উদ্দেশ্যকে আনুষ্ঠানিক উদ্দেশ্য (Official objectives) হিসেবে গণ্য করা হয় ।

২. কৌশলগত উদ্দেশ্য (Tactical objectives) :

বার্টল ও মার্টিন -এর মতে, “সাধারণত মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপকগণ কর্তৃক নির্দিষ্ট বিভাগ বা ইউনিটসমূহের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বা ভবিষ্যতের চূড়ান্ত ফলাফল হলো কৌশলগত (Tactical) উদ্দেশ্য।” “(Tactical goals are targets or future end results usually set by middle management for specific departments or units.) 24 এ পর্যায়ের উদ্দেশ্যে স্ট্র্যাটীজিক লক্ষ্যের আওতায় বিভিন্ন বিভাগ বা ইউনিটের করণীয় বা অর্জনীয় বিষয়াদি নির্ধারিত হয় ।

কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ অত্যন্ত সুস্পষ্ট, পরিমাপযোগ্য এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মীদের কাছে উপস্থাপন করা আবশ্যক । এ জাতীয় উদ্দেশ্যকে বিভাগীয় কিংবা ইউনিটভিত্তিক উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। উৎপাদন বিভাগ কর্তৃক বার্ষিক । উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এ জাতীয় উদ্দেশ্যের উদাহরণ ।

৩. কার্যসম্বন্ধীয় উদ্দেশ্য (Operational objectives) :

বার্টল ও মার্টিন -এর ভাষায়, “ সুনির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য যেসব লক্ষ্যমাত্রা ও ভবিষ্যতের চূড়ান্ত ফলাফল নিম্নস্তরের কর্মীদের দ্বারা অর্জন করতে হবে বলে নির্দিষ্ট করা হয় সেগুলো হলো কার্যসম্বন্ধীয় উদ্দেশ্য।” (Operational goals are targets or future end results set by lower management that address specific measurable outcomes required from the lower levels.) 25 কার্যসম্বন্ধীয় উদ্দেশ্যসমূহ নির্ধারণ করা হয় স্ট্রাটাজিক (Strategic) ও কৌশলগত (Tactical) উদ্দেশ্যের আলোকে। কারখানার লাইন সুপারভাইজারের সাপ্তাহিক বা মাসিক তত্ত্বাবধান কাজের টার্গেট হলো কার্যসম্বন্ধীয় উদ্দেশ্যের উদাহরণ ।

ঘ) প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যাশাভিত্তিক উদ্দেশ্য (Objectives on the basis of organizational participant’s expectation) :

১. সামাজিক উদ্দেশ্য (Societal objectives) :

গোটা সমাজ বা পরিবেশের একটি অংশ হিসেবে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে সমাজের কতিপয় প্রত্যাশা পূরণ করতে হয় । সামাজিক প্রত্যাশা পূরণে প্রতিষ্ঠানকে যেসব উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে হয় সেগুলোকে সামাজিক উদ্দেশ্য বলে । সামাজিক উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো সংশ্লিষ্ট বাহ্যিক পক্ষসমূহ; যেমন- ক্রেতা, ভোক্তা, সরবরাহকারী, বিনিয়োগকারী, সাধারণ জনগণ, সরকারসহ অন্যান্য পক্ষগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণ করা, ব্যবসায় নীতি-নৈতিকতা অনুসরণ, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা ইত্যাদি ।

২. সাংগঠনিক প্রণালীগত উদ্দেশ্য (Organizational system objectives) :

একটি স্বতন্ত্র ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিদ্যমান পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠান যেসব উদ্দেশ্য অর্জন করতে ব্রতী হয় সেগুলোকে সাংগঠনিক প্রণালীগত উদ্দেশ্য বলে । Kast ও Rosenweig-এর ভাষায়, “Organizational system goals pertain to the purposes and desired conditions that the organization seeks as a distinct entity.’ ” 26 প্রতিষ্ঠানের স্থায়িত্ব, কার্যক্রমের স্থিতিশীলতা, উচ্চ উপার্জন হার, প্রবৃদ্ধি, অংশগ্রহণকারীদের সন্তুষ্টি, কার্যক্ষেত্রের সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিগত বিষয়ে নেতৃত্বদান, উদ্ভাবন ইত্যাদি প্রণালীগত উদ্দেশ্যের প্রধান প্রধান উদাহরণ ।

 

উদ্দেশ্যের শ্রেণীবিভাগ বা ধরন | উদ্দেশ্য | ব্যবস্থাপনা নীতিমালা

 

৩. ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য (Individual participant objectives) :

সংগঠন মানে উদ্দেশ্যার্জনের জন্য কতিপয় কর্মী বা অংশগ্রহণকারীকে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত করা- যারা সামগ্রিক লক্ষ্যার্জনে অবদান রাখে । কর্মীরা তাদের ব্যক্তিগত ও দলীয় প্রয়োজন, প্রত্যাশা ও অভাব মোচনের জন্য প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত হয় । প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের প্রত্যাশা পূরণের জন্য যেসব উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে হয় সেগুলোকে ব্যক্তিক উদ্দেশ্য বলে।

Roethlisberger & Dickson-4, “An industrial organization may be regarded as performing two major functions, that of producing a product and that of creating and distributing satisfactions among the individual members of the organization.” 27 প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য এমনভাবে নির্ধারণ করা উচিত যাতে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্যার্জনের সঙ্গে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের একক ও দলীয় উদ্দেশ্যসমূহ অর্জিত হয়।

উপরের শ্রেণীবিন্যাস ও আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বিশ্লেষণ ও প্রায়োগিক সুবিধার জন্য উদ্দেশ্যসমূহকে বিভিন্ন ভিত্তিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়ে থাকে। যেমন- বিক্রয় বৃদ্ধির লক্ষ্যকে কখনও স্বল্পমেয়াদি, কখনও গৌণ উদ্দেশ্য, কখনও বা কার্যগত উদ্দেশ্য হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়। অতএব শ্রেণীবিন্যাস আলোচনাকালে অবশ্যই দৃষ্টিভঙ্গি ও ভিত্তিসমূহকে বিবেচনা করতে হবে ।

Leave a Comment