উদ্দেশ্য অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ এই পাঠটি “ব্যবস্থাপনা নীতিমালা” বিষয়ের ” উদ্দেশ্য” বিষয়ক পাঠের অংশ। সামগ্রিক উদ্দেশ্যের আওতায় প্রতিষ্ঠানের সকল বিভাগ ও উপবিভাগের উদ্দেশ্য নির্ধারণপূর্বক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তাকে উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বলে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের জন্য সামগ্রিকভাবে একটা লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয় এবং তার আলোকে প্রতিটি বিভাগ ও উপবিভাগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। প্রতিটা বিজ্ঞান ও উপবিভাগ তাদের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সর্বোতভাবে চেষ্টা করে । এতে সামগ্রিক উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হয় ।
Table of Contents
উদ্দেশ্য অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ

উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার পদক্ষেপসমূহ, ব্যবস্থাপনার সকল পর্যায়ে উদ্দেশ্য নির্দিষ্ট করে তার আলোকে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার কৌশলকে উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা (MBO) বলে। উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার পদক্ষেপসমূহ সকল প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের না হয়ে ক্ষেত্রবিশেষে কিছুটা পার্থক্য হতে পারে।
১. উদ্দেশ্য (Objective):
উদ্দেশ্য হলো প্রত্যাশিত ফল (Anticipated result)- যাকে ঘিরে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালিত হয় । মুনাফা অর্জন ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য ।
২. উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা (Management by objective/MBO) :
একটা সামগ্রিক উদ্দেশ্যের আওতায় প্রতিষ্ঠানের সকল বিভাগ ও উপবিভাগের উদ্দেশ্য নির্ধারণপূর্বক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হলে তাবে উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বলে ।

৩. উদ্দেশ্যের জলপ্রপাত রীতি (Hierarchy of objective):
প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্যের আলোকে বিজি পর্যায়ে যে উপউদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয় তা ক্রমাগত নিম্নমুখী বিন্যাস বা স্তরের সৃষ্টি করে। একেই উদ্দেশ্যের জলপ্রপাত রীতি বলে । ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনায় উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা যে নতুন ও সম্প্রসারিত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে তা বর্তমানে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সকল পর্যায়ে যথাযথ ও সমন্বিত উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠা করে সে অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ, কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরোপ করা গেলে তা থেকে প্রতিষ্ঠান অনেক বেশি সুফল পেতে পারে ।
