আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় পরিকল্পনা পরিকল্পনার প্রকারভেদ।যা ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা এর ধারনা অধ্যায় এর অন্তর্ভুক্ত।
Table of Contents
পরিকল্পনার প্রকারভেদ

অর্জনের জন্য পরিকল্পনা অপরিহার্য। প্রতিষ্ঠানের সব কাজের জন্য সবসময় একই ধরণে পরিকল্পনা ব্যবহারযোগ্য নয় । কাজের প্রকৃতির বিভিন্নতার কারণে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা প্রণীত হয়ে থাকে। পরিকল্পনাকে সাধারণভাবে যে সকল ভাগে ভাগ করা যায়, তা নিয়ে সচিত্র বর্ণনা দেয়া হল
প্রকৃতিভিত্তিক পরিকল্পনা ঃ
প্রকৃতি অনুযায়ী পরিকল্পনা ২ প্রকার, যথা ঃ
১। লক্ষ্য ঃ
কোন পরিকল্পনার অভিপ্রেত ফলকে লক্ষ্য বলে। লক্ষ্যের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক। এর পরিধিতে উদ্দেশ্য, সীমারেখা, মান প্রভৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।
২। স্থায়ী পরিকল্পনা ঃ
যে পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানে একবার গৃহীত হওয়ার পর নতুন কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত তা বার বার প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হতে থাকে, তাকে স্থায়ী পরিকল্পনা বলে। স্থায়ী পরিকল্পনা আবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, যথা ঃ
(i) নীতি ঃ নীতি হচ্ছে কোন স্থায়ী কাজের পূর্বনির্ধারিত নিয়ম ।
(i) প্রক্রিয়া ঃ প্রক্রিয়া হল নীতির ভিত্তিতে কতকগুলো ধারাবাহিক যুক্তিপূর্ণ কাজের সমষ্টি
(III) পদ্ধতি ঃ প্রক্রিয়ার অধীনে নির্ধারিত প্রত্যেকটি কার্য সম্পাদনের জন্য গৃহীত কার্যক্রমকে পদ্ধতি বলা হয়। (iv) নিয়ম বিধি ঃ প্রতিষ্ঠানের কার্যাদি সম্পর্কে পূর্ব থেকে যে নিয়ম বিধি নির্ধারণ করে রাখা হয় তা এক 8 ধরনের স্থায়ী পরিকল্পনা হিসেবে গণ্য হয় ।
৩। একার্থক পরিকল্পনা ঃ
যে পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানে বার বার ব্যবহৃত না হয়ে শুধুমাত্র একবার ব্যবহারের জন্য বা একটিমাত্র উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রণয়ন করা হয়, তাকে একার্থক পরিকল্পনা বলা হয় । এটি আবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
(i) কর্মসূচি ঃ কোন বিশেষ লক্ষ্য অর্জনের জন্য একাধিক কর্ম সম্পাদনের প্রয়োজনে যে বড় ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাকে কর্মসূচি বলে।
(ii) প্রকল্প ঃ প্রকল্প হল কর্মসূচির অধীনে একটি বিশেষ কার্য সম্পাদনের পরিকল্পনা

