আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় সরলরৈখিক ও পদস্থ সংগঠনের সুবিধাসমূহ।
Table of Contents
সরলরৈখিক ও পদস্থ সংগঠনের সুবিধাসমূহ

১। নির্বাহীর কর্মভার লাঘব ঃ
এরূপ সংগঠনে সরলরৈখিক নির্বাহীকে সহযোগিতা করার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পদস্থ বা সহযোগী কর্মী নিয়োগ করায় নির্বাহীর কর্মভার অনেকাংশে লাঘব হয় ।
২। পরিকল্পনা মানোন্নয়ন :
এরূপ সংগঠনে পরিকল্পনা প্রণয়নে বিশেষজ্ঞ কর্মীগণ নির্বাহীকে বিশেষভাবে সহযোগিতা করতে পারে । ফলে পরিকল্পনার মান উন্নীত হয় এবং কাজের ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক প্রভাব
পড়ে।
৩। সমস্যার দ্রুত সমাধান :
সরলরৈখিক সংগঠনে নির্বাহী নানান কাজে ব্যস্ত থাকায় অনেক সময় তার পক্ষে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে যথাযথ ভূমিকা পালন সম্ভব হয় না। কিন্তু এক্ষেত্রে পদস্থ কর্মীর উপস্থিতি থাকায় তারা সমস্যা সমাধানে নির্বাহীকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করে ।
৪। প্রশিক্ষণের সুযোগ :
অধঃস্তনদের শুধুমাত্র নির্দেশ দিলেই চলে না, তাদের মান উন্নয়নের জন্যও ঊর্ধ্বতনকে যথাযথ নজর দিতে হয়। বিশেষজ্ঞ কর্মীদের সহযোগিতা এরূপ সংগঠনে প্রশিক্ষণের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়া সম্ভব হয়। এ ছাড়া যোগ্য বিশেষজ্ঞ কর্মীর সংস্পর্শে নির্বাহীও অনেক কিছু শেখার সুযোগ লাভ করে ।
৫। অপচয় হ্রাস ঃ
এরূপ সংগঠনে পদস্থ কর্মীর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানের সকল উপায় উপাদানের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ফলে অপচয় হ্রাস পায় ও মিতব্যয়িতা অর্জন করা যায়।
৬। শ্রম বিভাগের সুফল অর্জন :
এ ধরনের সংগঠনে একজন নির্বাহী তার কাজের অংশবিশেষ সহযোগীর ওপর অর্পণ করতে পারে। এতে প্রত্যেকের পক্ষে একই ধরনের কাজ করতে গিয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন সম্ভব হয়। ফলে কার্যক্ষেত্রে দক্ষতার উন্নয়ন ঘটে।
৭। নমনীয়তা অর্জন ঃ
পদস্থ কর্মী কর্মরত থাকায় এতে নির্বাহী যেমনি নতুন চিন্তা ভাবনা করার সুযোগ পায় তেমনি প্রয়োজনে একাধিক সহযোগী নিয়োগ করে কর্মক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন
করতে পারে।

