ব্যবস্থাপনা নীতিমালা সূচিপত্র, ব্যবস্থাপনা নিয়ে সকল আর্টিকেল এর লিংক এইখানে পেয়ে যাবেন যা প্রতিনিয়ত আপডেট হতে থাকে। কয়েকজন ব্যক্তি যখন কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য একত্রিত হয় তখন তাদের সঠিকভাবে পরিচালনার প্রয়োজন পড়ে। সেখানে যদি কেউ পরিচালক না থাকে, যদি কেউ নেতৃত্ব না দেয় তবে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়াই স্বাভাবিক । তাই একদল মানুষকে তাদের লক্ষ্যপানে এগিয়ে নেয়ার কার্যকর শক্তিই হলো ব্যবস্থাপনা ।
Table of Contents
ব্যবস্থাপনা নীতিমালা সূচিপত্র

ব্যবস্থাপনা পরিচিতির ভূমিকা এই পাঠটি “ব্যবস্থাপনা নীতিমালা” বিষয়ের ” ব্যবস্থাপনার পরিচিতি” বিষয়ক পাঠের অংশ। সংঘবদ্ধ মানব জীবনে ব্যবস্থাপনা এক অতি অপরিহার্য বিষয়। মানব সভ্যতার শুরু হতেই ব্যবস্থাপনার অস্তিত্ব লক্ষ করা যায় । কয়েকজন ব্যক্তি যখন কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য একত্রিত হয় তখন তাদের সঠিকভাবে পরিচালনার প্রয়োজন পড়ে। সেখানে যদি কেউ পরিচালক না থাকে, যদি কেউ নেতৃত্ব না দেয় তবে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়াই স্বাভাবিক । তাই একদল মানুষকে তাদের লক্ষ্যপানে এগিয়ে নেয়ার কার্যকর শক্তিই হলো। ব্যবস্থাপনা । আর যে বা যারা এ দায়িত্ব পালন করেন তাদেরকেই অভিহিত করা হয় ব্যবস্থাপক, প্রশাসক, নির্বাহী, পরিচালক ইত্যাদি বিভিন্ন নামে ।
অর্থনীতিতে উৎপাদনের চারটি উপাদানের কথা বলা হয়েছে; যথা – ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। সেখানে মনে করা হয় সংগঠন ছাড়া অন্য তিনটি উপকরণ কখনই উৎপাদনে সক্ষম নয় । অর্থাৎ ভূমি, শ্রম, ও মূলধনকে সংগঠিত, সমন্বিত, সুসংহত বা এদেরকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে যথাযথভাবে কাজে লাগানো না হলে তা কার্যকর ফল দিতে অক্ষম । ধরে নেয়া যাক্, কোনো জায়গায় বেশ কিছু উর্বর জমি আছে, কাজ করার মতো শক্ত-সামর্থ্য শ্রমিক আছে, চাষ করার মতো প্রয়োজনীয় মূলধনও রয়েছে- কিন্তু এগুলোকে ব্যবহার করার জন্য একজন যোগ্য চাষী নেই ।

তাহলে কোন্ জমিতে কী চাষ করতে হবে, কখন লাঙল দিতে হবে, কখন শস্য বুনতে হবে, সার দিতে হবে ইত্যাদি বিষয় কে নির্ধারণ করবে, কে সেভাবে ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে কাজে লাগাবে, কে এ লোকগুলোর কাজকে নিয়ন্ত্রণ করবে এ বিষয়ে প্রশ্ন এসে যায় ।
ধরা যাক্, একটা বাইচ দেয়ার মতো নৌকা আছে, তাতে যোগ্য মাল্লা আছে, প্রয়োজনীয় বৈঠা আছে, কিন্তু তাতে যদি হাল ধরার মতো যোগ্য মাঝি না থাকে তবে এগুলো কী কাজে লাগবে? তাই একজন চাষী, একজন মাঝি এভাবে একজন পরিবার কর্তা, সমাজের প্রধান, ব্যবসায়ের মালিক, শিল্প পরিচালক, থানা নির্বাহী, জেলা প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রী প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ অধীনস্থ মানুষ ও উপায়-উপকরণকে কাজে লাগানোর জন্য যা করেন তাই ব্যবস্থাপনা ।
বর্তমান বৃহদায়তন কর্মপ্রচেষ্টার যুগে সকল ধরনের প্রতিষ্ঠানই বৃহদায়তন রূপ পরিগ্রহ করেছে। বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে গিয়ে এর কাজকে বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগে ভাগ করার প্রয়োজন পড়ছে । প্রতিটা বিভাগ ও উপবিভাগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকছে প্রচুরসংখ্যক জনশক্তি ও অন্যান্য উপায়-উপকরণ । তাই দক্ষ ব্যবস্থাপনা যে কোনো প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে আজ এক অপরিহার্য শর্ত। সারা বিশ্বজুড়েই ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন প্রাতিষ্ঠানিক ও জাতীয় উন্নয়নে আজ সবচেয়ে গুরুত্ববহ। আমাদের দেশের অর্থনৈতিক পশ্চাদপদতার পিছনে পরিসম্পদের অভাব নয় ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাই যে মুখ্য তা আজ আর বলার অপেক্ষা রাখে না ।
অধ্যায় – ১ : ব্যবস্থাপনার পরিচিতি
- ব্যবস্থাপনা বলতে কী বুঝায়
- ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা
- ব্যবস্থাপক কে
- ব্যবস্থাপনার প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য
- ব্যবস্থাপনার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ
- ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপকরণ
- ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি বা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া
- ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনার কার্যাবলির মধ্যে সম্পর্ক
- ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনা কার্যাবলির মধ্যে পার্থক্য
- ব্যবস্থাপনার কোন কাজটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কেন
- ব্যবস্থাপনা চক্র কাকে বলে
- ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সম্পর্ক
- ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য/ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য
- ব্যবস্থাপনার আওতা, ক্ষেত্র বা বিষয়বস্তু
- ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা
- ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বা ভূমিকা
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবস্থাপনার ভূমিকা
- ব্যবস্থাপনার নীতি বা আদর্শ বলতে কী বুঝায়
- ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নীতি বা আদর্শ অনুসরণের প্রয়োজনীয়তা
- ব্যবস্থাপনার নীতি বা আদর্শসমূহ
- আদেশের ঐক্য ও নির্দেশনার ঐক্যের মধ্যে পার্থক্য
- ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন স্তর বা পর্যায়
- ব্যবস্থাপকের প্রকারভেদ
- একজন ব্যবস্থাপকের প্রাত্যহিক কাজ বা ভূমিকা
- ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের মধ্যে পার্থক্য
- সংগঠন, ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের মধ্যে সম্পর্ক
- সংগঠন, প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে পার্থক্য
- উৎপাদনশীলতা, ফলপ্রদতা ও দক্ষতা
- ব্যবস্থাপকীয় দক্ষতা বলতে কী বুঝায়
- ব্যবস্থাপকীয় দক্ষতার প্রকারভেদ
- ব্যবস্থাপকীয় দক্ষতা পরিমাপের ভিত্তিসমূহ
- ব্যবস্থাপনাকে দক্ষতা অর্জনের বিজ্ঞান বলা হয় কেন
- উত্তম ব্যবস্থাপকের গুণাবলি
- ব্যবস্থাপনার সামাজিক দায়িত্ব বলতে কী বুঝায়
- ব্যবস্থাপনার সামাজিক দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ
- ব্যবস্থাপনার সামাজিক দায়িত্ব পালনের পক্ষে যুক্তি
- ব্যবস্থাপনা বিজ্ঞান না কলা
- ব্যবস্থাপনা কি একটি পেশা
- বাংলাদেশে ব্যবস্থাপনা পেশার মানোন্নয়নে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানসমূহ
- ব্যবস্থাপনা কি একটি ক্যারিয়ার
- বাংলাদেশে ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সমস্যা
- বাংলাদেশে ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ দূরীকরণের উপায়
অধ্যায় – ২ : পরিবেশ
- পরিবেশ কী
- ব্যবসায় পরিবেশ কাকে বলে
- ব্যবসায় পরিবেশের উপাদান / শক্তিসমূহ
- প্রযুক্তিগত পরিবেশ
- ইকোলজিক্যাল পরিবেশ
- ব্যবস্থাপনা পরিবেশ
- ব্যবস্থাপনা পরিবেশের প্রকারভেদ
- ব্যবসায় / ব্যবস্থাপনার অভ্যন্তরীণ পরিবেশ
- ব্যবসায় / ব্যবস্থাপনার বাহ্যিক পরিবেশ
- প্রতিষ্ঠানের বা ব্যবস্থাপনার উপর প্রত্যক্ষ প্রভাব বিস্তারকারী পরিবেশের উপাদানসমূহ
- প্রতিষ্ঠানের বা ব্যবস্থাপনার উপর পরোক্ষ প্রভাব বিস্তারকারী পরিবেশের উপাদানসমূহ
- ব্যবসায় সংগঠন / ব্যবস্থাপনার ওপর পরিবেশের প্রভাব
- ব্যবস্থাপনা হলো পরিবেশ নির্ভর -আলোচনা কর
- একজন ব্যবস্থাপককে কেন ব্যবসায় পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়
- আন্তর্জাতিক পরিবেশ বলতে কী বুঝায়
- আন্তর্জাতিক/ বৈশ্বিক পরিবেশের উপাদানসমূহ
- বাহ্যিক পরিবেশের সঙ্গে ব্যবস্থাপনার সামঞ্জস্য বিধানের পদ্ধতি বা কৌশল
- পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কাকে বলে
- পরিবেশ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব
- সোট বিশ্লেষণ
- SWOT এর উপাদানসমূহ
- পরিবেশ অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ৩ : পরিকল্পনা
- পরিকল্পনার ভূমিকা
- পরিকল্পনা বলতে কী বুঝায়
- পরিকল্পনার সাধারণ প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য
- উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনার মধ্যে সম্পর্ক
- উত্তম পরিকল্পনার গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্যসমূহ
- পরিকল্পনার সুবিধা
- পরিকল্পনার অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা
- পরিকল্পনার গুরুত্ব
- পরিকল্পনার সঙ্গে ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কাজের সম্পর্ক
- পরিকল্পনায় প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহ
- পরিকল্পনা প্রণয়নের পদ্ধতি
- পরিকল্পনা প্রণয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ
- পরিকল্পনা অঙ্গন বা পরিকল্পনার পটভূমি বলতে কী বুঝায়
- পরিকল্পনা অঙ্গন বা পটভূমির প্রকারভেদ
- সফল পরিকল্পনা অঙ্গন রচনায় করণীয়সমূহ
- পরিকল্পনায় ফলপ্রদতা বৃদ্ধির উপায়
- পরিকল্পনার প্রকারভেদ
- লক্ষ্য বলতে কী বুঝায়
- লক্ষ্যের প্রকৃতি বা প্রকারভেদ
- লক্ষ্য কি একটি পরিকল্পনা
- লক্ষ্যের সুবিধাসমূহ
- স্থায়ী পরিকল্পনার সংজ্ঞা
- স্থায়ী পরিকল্পনার প্রকারভেদ
- স্থায়ী পরিকল্পনার সুবিধা
- ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী পরিকল্পনার অসুবিধা
- একার্থক পরিকল্পনার সংজ্ঞা
- একার্থক পরিকল্পনার প্রকারভেদ
- একার্থক পরিকল্পনার সুবিধা
- ব্যবস্থাপনায় একার্থক পরিকল্পনার অসুবিধা
- একার্থক ও স্থায়ী পরিকল্পনার মধ্যে পার্থক্য
- স্ট্র্যাটাজিক পরিকল্পনা
- স্ট্র্যাটাজিক পরিকল্পনার উদ্দেশ্য, গুরুত্ব বা সুবিধা
- ব্যবস্থাপনায় কৌশল বা স্ট্র্যাটিজি বা স্ট্র্যাটীজিক পরিকল্পনার প্রকারভেদ
- স্ট্র্যাটাজিক পরিকল্পনা প্রণয়নে বা স্ট্র্যাটিজি নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়সমূহ
- পরিস্থিতি পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা
- টো’জ বিশ্লেষণ ও সোট বিশ্লেষণ
- পোর্টারের শিল্পীয় বিশ্লেষণ এবং সাধারণ প্রতিযোগিতামূলক কৌশলসমূহ
- স্ট্র্যাটিজির সংজ্ঞা
- নীতি বলতে কী বুঝায়
- স্ট্র্যাটিজি ও নীতির মধ্যে পার্থক্য
- পরিকল্পনা অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ৪ : উদ্দেশ্য
- উদ্দেশ্য বলতে কী বুঝায়
- উত্তম ব্যবস্থাপকীয় উদ্দেশ্যের গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্যসমূহ
- উদ্দেশ্যের গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা
- উদ্দেশ্যের শ্রেণীবিভাগ বা ধরন
- উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও মিশনের মধ্যে পার্থক্য
- উদ্দেশ্য নির্ধারণে আদর্শ বা নীতিমালা
- উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি বা পদক্ষেপ
- উদ্দেশ্যের স্তর বিন্যাস/ উদ্দেশ্যের জলপ্রপাত রীতি
- উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা কী
- উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার পদক্ষেপসমূহ
- উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনার সুবিধা
- উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনার অসুবিধা
- উদ্দেশ্য অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ৫ : সিদ্ধান্ত গ্রহণ
- সিদ্ধান্ত গ্রহনের ভূমিকা
- সিদ্ধান্ত গ্রহণের অর্থ
- ব্যবস্থাপনা হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া-ব্যাখ্যা
- যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা
- সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি বা সহায়তাকারী উপাদান
- সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিবেচ্য বিষয়/উপাদান
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ
- বিকল্পসমূহের উন্নয়ন
- বিকল্পসমূহের মূল্যায়ন
- নিশ্চয়তা, অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ
- কাঠামোবদ্ধ ও অকাঠামোবদ্ধ সিদ্ধান্ত
- কাঠামোবদ্ধ ও অকাঠামোবদ্ধ সিদ্ধান্তের মধ্যে পার্থক্য
- যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা
- সিদ্ধান্ত গ্রহণের কৌশল বা তত্ত্ব
- সিদ্ধান্ত বৃক্ষ কীভাবে একজন ব্যবস্থাপককে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে
- সিদ্ধান্ত যাচাই বা পরীক্ষা পদ্ধতি
- সিদ্ধান্ত সহায়ক ব্যবস্থা
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ৬ : ব্যবস্থাপনা পরিসর ও বিভাগীয়করণ
- ব্যবস্থাপনা পরিসর ও বিভাগীয়করণের ভূমিকা
- সংগঠনের সংজ্ঞা
- একটি উত্তম সংগঠনের বৈশিষ্ট্য
- ব্যবস্থাপনা সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব
- সংগঠনের মূলনীতি বা নীতিমালা
- সংগঠন প্রক্রিয়ায় উপাদান বা পদক্ষেপসমূহ
- ফলপ্রদ সংগঠনের / সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মৌলিক বিষয় বা প্রশ্নাবলি
- সংগঠনের ক্ষেত্রে সমস্যা বা ভুলের ক্ষেত্রসমূহ
- কার্যকর সংগঠন প্রতিষ্ঠা
- সাংগঠনিক উন্নয়ন
- সাংগঠনিক সম্পর্ক ও এর শ্রেণীবিভাগ
- আনুষ্ঠানিক সংগঠন/ নিয়মতান্ত্রিক সংগঠন
- অনানুষ্ঠানিক সংগঠন
- অনানুষ্ঠানিক সংগঠনের সুবিধা
- অনানুষ্ঠানিক সংগঠনের অসুবিধা
- আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য
- ব্যবস্থাপনা পরিসর বা তত্ত্বাবধান পরিসর বলতে কী বুঝায়
- ব্যবস্থাপনা পরিসর ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়
- সংগঠনের ওপর ব্যবস্থাপনা পরিসরের প্রভাব
- ছোট ব্যবস্থাপনা পরিসর বা উচ্চাকৃতির সাংগঠনিক কাঠামো
- ছোট ব্যবস্থাপনা পরিসরের সুবিধা
- ছোট ব্যবস্থাপনা পরিসরের অসুবিধা
- কার্যকর ব্যবস্থাপনা পরিসর নির্ধারণে বাধা সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ
- কাম্য ব্যবস্থাপনা পরিসর
- কামা ব্যবস্থাপনা পরিসর নির্ণয়ের গুরুত্ব
- কাম্য তত্ত্বাবধান পরিসর বা ব্যবস্থাপনা পরিসর নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়সমূহ
- অতিরিক্ত কর্মভারগ্রস্ত নির্বাহীর কর্মভার লাঘবের উপায় বা পদ্ধতি
- গ্রেকিউনাসের তত্ত্ব
- বিভাগীয়করণ বলতে কী বুঝায়
- বিভাগীয়করণের গুরুত্ব বা সুবিধা
- বিভাগীয়করণের ভিত্তি / পদ্ধতি / প্রকারভেদ
- বিভাগীয়করণের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়সমূহ
- একটি বড় ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য কোন্ ধরনের বিভাগীয়করণ সর্বোত্তম
- ব্যবস্থাপনা পরিসর ও বিভাগীয়করণ অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ৭ : সংগঠন কাঠামো এর শ্রেণিবিভাগ ও কমিটি সংগঠন
- সংগঠন কাঠামো বলতে কী বুঝায়
- সংগঠন চার্ট বা সংগঠন তালিকা
- সংগঠন সারগ্রন্থ
- সাংগঠনিক কাঠামো নির্ণয়ে প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহ
- সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়নে বিবেচ্য বিষয়সমূহ
- সাংগঠনিক নক্শার উপর সংগঠন কাঠামো নির্ভরশীল-ব্যাখ্যা কর
- সংগঠন কাঠামোর শ্রেণিবিভাগ
- সরলরৈখিক সংগঠন কাকে বলে
- সরলরৈখিক সংগঠনের বৈশিষ্ট্য
- সরলরৈখিক সংগঠনের সুবিধা
- সরলরৈখিক সংগঠনের অসুবিধা
- সরলরৈখিক সংগঠনের প্রয়োগক্ষেত্র
- সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠন বলতে কী বুঝায়
- সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের বৈশিষ্ট্য
- সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের সুবিধা
- সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের অসুবিধা
- সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের প্রয়োগ ক্ষেত্ৰ
- সরলরৈখিক সংগঠন এবং সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য
- কার্যভিত্তিক সংগঠন কাকে বলে
- কার্যভিত্তিক সংগঠনের বৈশিষ্ট্য
- কার্যভিত্তিক সংগঠনের সুবিধা
- কার্যভিত্তিক সংগঠনের অসুবিধা
- কার্যভিত্তিক সংগঠন ব্যবহারের উপযুক্ত ক্ষেত্র
- সরলরৈখিক সংগঠনের সাথে কার্যভিত্তিক সংগঠনের পার্থক্য
- মেট্রিক্স সংগঠন কাকে বলে
- মেট্রিকস সংগঠন ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা
- মেট্রিক্স সংগঠন কেন করা হয়
- মেট্রিক্স সংগঠনের ব্যবহার ক্ষেত্র
- কমিটি বা কমিটি সংগঠন
- কমিটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য
- কমিটির প্রকারভেদ
- সমন্বয় কমিটি
- কমিটির সুবিধা বা কমিটির ব্যাপক ব্যবহারের কারণ
- কমিটির অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা
- কমিটি ব্যবহারের অনুকূল ক্ষেত্রসমূহ
- কমিটির কার্যকর ব্যবহারের জন্য সুপারিশসমূহ
- কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন
- দলের প্রকারভেদ
- দলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ
- সংগঠন কাঠামো অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ৮ : কর্তৃত্বাপণ ও বিকেন্দ্রীকরণ
- কর্তৃত্বের সংজ্ঞা
- কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা
- কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব
- কর্তৃত্বের উৎসসমূহ
- কর্তৃত্বের শ্রেণিবিভাগ
- রৈখিক বা সরলরৈখিক কর্তৃত্ব
- সহযোগী কর্তৃত্ব
- কার্যিক কর্তৃত্ব
- সরলরৈখিক ও সহযোগী কর্তৃত্বের মধ্যে পার্থক্য
- রৈখিক নির্বাহী ও পদস্থ কর্মীর মধ্যে বিরোধের কারণসমূহ
- রৈখিক নির্বাহী ও পদস্থ কর্মীর মধ্যে বিরোধ দূর করার উপায়
- পদস্থ বা সহযোগী কর্মীর প্রকারভেদ
- কর্তৃত্বাপণ বা ক্ষমতার্পণ বলতে কী বুঝায়
- কর্তৃত্বার্পণের আবশ্যকতা বা গুরুত্ব
- কর্তৃত্বার্পণের অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা
- দূর্বল কর্তৃত্বার্পণের সমস্যা
- কর্তৃত্বার্পণ নীতিমালা/ আদর্শ বা বিবেচ্য বিষয়সমূহ
- ক্ষমতায়ন বলতে কী বুঝায়
- কর্তৃত্বাপণ ও ক্ষমতায়নের মধ্যে পার্থক্য
- কেন্দ্রীকরণ বলতে কী বুঝায়
- কেন্দ্রীকরণের সুবিধা
- কেন্দ্রীকরণের অসুবিধা
- কেন্দ্রীকরণের অনুকূল ক্ষেত্র বা পরিবেশসমূহ
- বিকেন্দ্রীকরণ বলতে কী বুঝায়
- বিকেন্দ্রীকরণের সুবিধা
- বিকেন্দ্রীকরণের অসুবিধা
- বিকেন্দ্রীকরণের মাত্রা
- কোন্ ধরনের বিকেন্দ্রীকরণ কাম্য
- বিকেন্দ্রীকরণে প্রভাব বিস্তারকারী বিষয়সমূহ
- কর্তৃত্বার্পণ ও বিকেন্দ্রীকরণের মধ্যে পার্থক্য
- কেন্দ্রীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণের মধ্যে পার্থক্য
- বিকেন্দ্রীকরণ ও ক্ষমতায়নের মধ্যে পার্থক্য
- বিকেন্দ্রীকরণের চালিকা শক্তি হিসেবে কর্তৃত্বের পুনঃকেন্দ্রীকরণ ও ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা
- কর্তৃত্বাপণ ও বিকেন্দ্রীকরণ অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ৯ : নেতৃত্ব
- নেতৃত্বের সংজ্ঞা
- যোগ্য নেতৃত্বের প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য
- ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্বের গুরুত্ব
- নেতৃত্বের উপাদান
- নেতার ক্ষমতার উৎস বা ভিত্তি
- নেতার কার্যাবলি
- নেতৃত্বের বা নেতার গুণাবলি
- নেতৃত্বের সমস্যা বা বাধা সৃষ্টিকারী উপকরণসমূহ
- নেতৃত্বের বিভিন্ন স্টাইল বা ধরন
- স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব কাকে বলে
- গণতান্ত্রিক বা অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব
- গণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য
- স্বৈরতান্ত্রিক ও লাগামহীন বা মুক্ত নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য
- আদান-প্রদানমূলক ও রূপান্তরমূলক নেতৃত্ব
- আদান-প্রদানমূলক ও রূপান্তরমূলক নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য
- নেতৃত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ বা ধারণা
- লিকার্টের নেতৃত্বের চার পদ্ধতি বা তত্ত্ব
- ব্যবস্থাপকীয় গ্রীড পদ্ধতি
- নেতৃত্বের তত্ত্ব ও ধরনের সাথে প্রেষণার সম্পর্ক
- সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন
- নেতৃত্ব অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ১০ : প্রেষণা
- ব্যবস্থাপনায় মানবীয় উপাদান
- প্রেষণা বলতে কী বুঝায়
- প্রেষণার বৈশিষ্ট্য
- প্রেষণা প্রক্রিয়া বা প্রেষণা চক্র
- অভাব-চাহিদা-সন্তুষ্টি শিকল
- প্রেষণা ও উদ্দীপক
- প্রেষণার গুরুত্ব
- প্রেষণা ও মনোবলের মধ্যে সম্পর্ক
- প্রেষণার সাথে কর্মী সন্তুষ্টি ও উৎপাদনশীলতার সম্পর্ক
- প্রেষণার বিভিন্ন তত্ত্ব
- ম্যাকগ্রেগরের X ওY তত্ত্ব
- মাসলোর চাহিদা সোপান তত্ত্ব
- হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব
- মাসলোর চাহিদা সোপান তত্ত্ব ও হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্বের মধ্যে পার্থক্য
- প্রেষণার লক্ষ্য স্থাপন তত্ত্ব
- প্রেষণার বিভিন্ন তত্ত্ব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা
- প্রেষণা দানের বিভিন্ন উপায় বা পদ্ধতি
- বাংলাদেশে শিল্প শ্রমিকদের প্রণোদিত করার উপায়
- কর্মীদের প্রেষণাদানের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা
- কর্মীদের প্রেষণাদানের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের উপায়
- প্রেষণা অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ
অধ্যায় – ১১ : নিয়ন্ত্রণ
- নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা
- নিয়ন্ত্রণের সংজ্ঞা
- নিয়ন্ত্রণের সাধারণ প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য
- নিয়ন্ত্রণ কীভাবে পরিকল্পনার সাথে সম্পর্কিত
- নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব
- নিয়ন্ত্রণের আদর্শ বা নীতিমালা
- নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ
- নিয়ন্ত্রণ আদর্শমান
- বেঞ্চমার্কিংয়ের অর্থ
- বেঞ্চমার্কিং প্রক্রিয়া
- বেঞ্চমার্কিং প্রকারভেদ
- কৌশলগত/ সংকটাপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বিন্দু
- নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নয়নের পদক্ষেপসমূহ
- আদর্শ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আবশ্যকীয় বৈশিষ্ট্য, শর্তাবলি বা উপাদানসমূহ
- নিয়ন্ত্রণের কৌশল বা পদ্ধতিসমূহ
- বাজেট কী
- নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে বাজেট বা বাজেটারি নিয়ন্ত্রণ
- বাজেটারি বা বাজেটীয় নিয়ন্ত্রণের সুবিধা
- বাজেটারি নিয়ন্ত্রণের অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা
- বাজেটারি বা বাজেটীয় নিয়ন্ত্রণে নমনীয়তা অর্জনের উপায়
- বাজেটারি বা বাজেটীয় নিয়ন্ত্রণের সফলতার শর্তসমূহ
- সময়-ঘটনা নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ
- ফলাবর্তন সিস্টেম হিসেবে নিয়ন্ত্রণ
- তথ্য প্রযুক্তি
- তথ্য পরিচালনায় কম্পিউটারের ব্যবহার
- তথ্য প্রযুক্তির দ্বারা সৃষ্ট সুবিধা ও চ্যালেঞ্জসমূহ
- ব্যবস্থাপনা তথ্য ব্যবস্থা
- ব্যবস্থাপনা তথ্য ব্যবস্থা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
- নিয়ন্ত্রণ অধ্যায়ে আলোচিত মূল পদবাচ্যসমূহ

